ঢাকা, রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮, ৪ ভাদ্র ১৪২৫
---
Tattho
প্রথম পাতা » আনন্দ-বিনোদন » ‘বক্সে করে আমরা সবাই মিলে ইফতার করি’
শুক্রবার ● ২৫ মে ২০১৮, ৪ ভাদ্র ১৪২৫
Email this News Print Friendly Version

‘বক্সে করে আমরা সবাই মিলে ইফতার করি’

‘আমরা তিন বোন এখন আলাদা সংসার নিয়ে ব্যস্ত, আমাদের অনেক জায়গাতে ইফতারের দাওয়াত থাকে। যে কারণে প্রায়ই আলাদা আলাদা ইফতার করতে হয়। এরপরও সুযোগ করে একসঙ্গে ইফতার করি তিন বোন। ইফতার শেষে একসঙ্গে তারাবির নামাজ আদায় করি, বাসায় মুরুব্বিদের কাছে ধর্মীয় আলোচনা শুনি। রাতে একসঙ্গে সেহরি খাই। রোজার এই মাসটা অনেক পবিত্র মনে হয় সবকিছু। মানসিকতা ভালো থাকে, ভালো কাজ করতে আরো বেশি ভালো লাগে।’

বড় বোন সুচন্দা ও ববিতা প্রসঙ্গে চম্পা বলেন, ‘দেখা যায় যে, তিনবোনের মধ্যে যেকোনো একজনের বাসায় সবাই চলে আসি। বক্সে করে নিজের মতো ইফতার বানিয়ে নিয়ে যাই, তারপর সবাই মিলে ইফতার করি। এটা আমাদের জন্য অনেক সুখের, অনেক আনন্দের।’

ছোটবেলার সেহরি ও ইফতার নিয়ে চম্পা বলেন, ‘ছোটবেলায় আমরা যশোরে বড় হয়েছি। সেখানে সেহরির সময় ঘুম ভাঙত আশপাশের মাইকিং ও রাস্তায় ছেলেদের ডাকে। উঠে পড়ুন, উঠে পড়ুন, সেহরি খাবার সময় হয়েছে- কথাগুলো এখনো কানে বাজে। রোজা রাখি আর না রাখি, সবার সঙ্গে বসে সেহরি খেতেই হবে। আশপাশের সব বাসার মানুষ উঠে যেত, অনেক সুন্দর একটা পরিবেশ ছিল তখন।’

প্রথম রোজা নিয়ে চম্পা বলেন, ‘আমি প্রথম রোজা রাখি সাত বছর বয়সে, তখন তো বাচ্চা। তখন সুচন্দা আপা আমাকে বলে, কোনো একটি পাত্রে রেখে কিছু খেয়ে নিলে রোজা ভাঙে না। আমিও তার কথামতো রোজা পাত্রে রেখে কিছু একটা খেয়ে ফেলতাম। (হা হা হা)। তার মানে, দিনে তিনটা রোজা হয়ে যেত। তবে ১০ বছর বয়সে পরিপূর্ণ রোজা রাখি। আমার মনে আছে, সেদিন সুচন্দা আপা আমার জন্য হালুয়া রান্না করেছিলেন। কারণ আপা জানতেন, আমি হালুয়া অনেক পছন্দ করি। ববিতা আপা আমার জন্য অনেক ইফতারি রেডি করেছিলেন, আমি যেন সুন্দর করে ইফতার করতে পারি। সেদিন আমাকে কেন্দ্র করেই হয়েছিল সব আয়োজন।’

ছোটবেলার সঙ্গে এখনকার ইফতারের পার্থক্য জানতে চাইলে নায়িকা চম্পা বলেন, ‘আসলে আমাদের ছোটবেলার পরিবেশটা ছিল পাবিবারিক। এক পরিবারের সঙ্গে আরেক পরিবারের সম্পর্ক ছিল আত্মীয়র মতো। কারণ, তখন দেখতাম এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়িতে সেহরির সময় খাবার নিয়ে আসছে। আবার আমাদের বাড়ি থেকে আশপাশের বাড়িতে খাবার দিয়ে আসা হতো। আর এখন তো আমরা যান্ত্রিক জীবন পার করছি। পাশের ফ্ল্যাটে কারা আছেন, তাই আমরা জানি না। সবাই সবার মতো ইফতার করছে, সেহরি খাচ্ছে। কেউ কারো খবর রাখছে না। আমার মনে হয়, এখন মানুষের মধ্যে সামাজিক বন্ধনটা দুর্বল হয়ে গেছে।’


কলকাতার সেই শিশু অভিনেতা এখন দেখতে যেমন হয়েছেন

তাজিনের শেষ দিনগুলো কিভাবে কেটেছে, জানলে অবাক হবেন


এ বিভাগের আরো খবর...

ইন্টারনেটে এই দম্পতির ছবি হয়তো সবাই দেখেছেন, কিন্তু এদের আসল পরিচয় জানলে আপনি চমকে যাবেন… ইন্টারনেটে এই দম্পতির ছবি হয়তো সবাই দেখেছেন, কিন্তু এদের আসল পরিচয় জানলে আপনি চমকে যাবেন…
তাজিনের শেষ দিনগুলো কিভাবে কেটেছে, জানলে অবাক হবেন তাজিনের শেষ দিনগুলো কিভাবে কেটেছে, জানলে অবাক হবেন
‘বক্সে করে আমরা সবাই মিলে ইফতার করি’ ‘বক্সে করে আমরা সবাই মিলে ইফতার করি’
কলকাতার সেই শিশু অভিনেতা এখন দেখতে যেমন হয়েছেন কলকাতার সেই শিশু অভিনেতা এখন দেখতে যেমন হয়েছেন
কোথায় যাচ্ছেন ওমর সানি ও মৌসুমী ?? কোথায় যাচ্ছেন ওমর সানি ও মৌসুমী ??
বাপ্পা-তানিয়াকে চাঁদনীর শুভেচ্ছা বাপ্পা-তানিয়াকে চাঁদনীর শুভেচ্ছা
সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর জন্মদিন পালিত সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর জন্মদিন পালিত
ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ এর সাফল্য… ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ এর সাফল্য…
স্বামী-স্ত্রী উভয়েই আগ্রহ হারায় পরষ্পরের প্রতি, কেন?? স্বামী-স্ত্রী উভয়েই আগ্রহ হারায় পরষ্পরের প্রতি, কেন??
মেয়েদের ৭টি গুণ দেখে বিয়ে করুন মেয়েদের ৭টি গুণ দেখে বিয়ে করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিথ্যা মামলায় কাউকে অযথা হয়রানি করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি মিথ্যা মামলায় কাউকে অযথা হয়রানি করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি
মিটফোর্ডে আট কোটি টাকার ভেজাল ও নকল ওষুধ জব্দ মিটফোর্ডে আট কোটি টাকার ভেজাল ও নকল ওষুধ জব্দ
বিজ্ঞ্যানে মুসলমানদের অবদান… বিজ্ঞ্যানে মুসলমানদের অবদান…
দুই মেয়ে ব্যারিস্টার, বাবা আর্মি অফিসার দুই মেয়ে ব্যারিস্টার, বাবা আর্মি অফিসার
ভিখারির মেয়েকে ইউপি মেম্বারসহ ৫ জন মিলে ধর্ষণ ভিখারির মেয়েকে ইউপি মেম্বারসহ ৫ জন মিলে ধর্ষণ
অভিনব কায়দায় প্রতারণা করে বিনিয়োগারীদের ১১ কোটি টাকা হাতিয়ে নিলো রহিম বাদশা অভিনব কায়দায় প্রতারণা করে বিনিয়োগারীদের ১১ কোটি টাকা হাতিয়ে নিলো রহিম বাদশা
হাতিরঝিল হবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৫০তম থানা হাতিরঝিল হবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৫০তম থানা
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার গত ২ বছরের ডায়াগনস্টিক টেস্টের সব রিপোর্ট ভুল দিয়েছে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার গত ২ বছরের ডায়াগনস্টিক টেস্টের সব রিপোর্ট ভুল দিয়েছে
চার ধরনের শারীরিক মিলন ইসলামে নিষিদ্ধ চার ধরনের শারীরিক মিলন ইসলামে নিষিদ্ধ
প্রায় তিন বছর পর দেশে ফিরছেন জাকির নায়েক! প্রায় তিন বছর পর দেশে ফিরছেন জাকির নায়েক!

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
বেকারদের জন্য অনুপ্রেরনা…ফরিদপুর এর লিখন
বিশ্বের শীর্ষ ১৩ ‘ডিসিশন মেকার্স’ ক্যাটাগরিতে শেখ হাসিনা
টমেটো ধূমপানের ক্ষতি কমাবে
৩৪ বার কাটছাঁটের শিকার ‘কেয়া কুল’
ব্রেকআপের পরে ‘জাস্ট ফ্রেন্ড’ হওয়া সম্ভব না
প্রেমে পড়লে শরীরে যে ছয়টি মজার পরিবর্তন ঘটে